1. m.a.roufekhc1@gmail.com : alokitokha :
বাঘাইছড়ির সাজেক পাহাড়ে জুম চাষের আগুনে অবাদে পুড়ছে শতশত একর বন - আলোকিত খাগড়াছড়ি

বাঘাইছড়ির সাজেক পাহাড়ে জুম চাষের আগুনে অবাদে পুড়ছে শতশত একর বন

  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২০
  • ২০৫ বার পড়া হয়েছে
বাঘাইছড়ি প্রতিনিধিঃ
রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ির সাজেক এলাকায় কাচালং ও মাচালং  রিজার্ভ ফরেষ্ট ও আশপাশের পাহাড়ে জুম চাষের নামে আগুন দিয়ে অবাদে ধংস করা হচ্ছে শত শত একর সংরক্ষিত পাহাড়ী বনাঞ্চল।
লাগামহীন এই আগুন ছড়িয়ে পড়ছে লোকালয়ে এতে পুড়ছে অনেক বসত ঘরও, হুমকির মুখে পড়েছে জীববৈচিত্র । অবাদে বনাঞ্চাল ধংসের ফলে পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় দেখা দিচ্ছে চরম পানির অভাব, ফলে বাড়ছে পাহাড়ে পানি বাহিত রোগবালাই।
পাহাড়ে আগুন দেয়া থেকে স্থানীয়দের দূরে রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রায়ই দেয়া হয় কঠোর বার্তা তাতেও লাগামটানা যাচ্ছে না এই আগুনের। স্থানীয় গ্রাম প্রধান, মেম্বার (কারবারিদের) দাবী তারা নিরুপায় হয়েই আগুন দেয় পাহাড়ে। তাদের খাদ্যের সংকট রয়েছে। খাদ্যের যোগানে তাদের বিকল্প কোন কর্মসংস্থান নেই। আগুন না দিলে চাষ না হলে না খেয়ে থাকতে হবে। তাদের দাবী সরকার যদি তাদের বিকল্প কর্ম সংস্থান সৃষ্টি করে দেয় তাহলে তারা জুম চাষ ছেড়ে দিবে তখনই পাহাড়ে আগুন দেয়া বন্ধ হবে।

বাঘাইছড়ি পরিবেশে সুরক্ষা কমিটির সভাপতি ও কাচালং সরকারী কলেজের  জীববিজ্ঞানের প্রভাষক আবুল ফজল মনে করেন জুম চাষের নামে অবাদে বনাঞ্চল ধংস করার পরিনাম হবে ভয়াবহ। পানির স্তর শুকিয়ে যাবে, নেমে আসবে চরম বিপর্যয়, তাই বিকল্প কর্মসংস্থানের মাধ্যমে তাদের জুম চাষ থেকে বিরত রাখতে হবে।
আর পাহাড়ের প্রভাবশালী  আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক দলের বাঘাইছড়ি সমন্বয়ক অশিম প্রিয় চাকমা বলেন পাহাড়ে বৃহৎ পরিসরে ফলজ বাগান ও বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থান ব্যাবস্থা করলেই বন্ধ হবে পরিবেশের ক্ষতিকর এই  জুম চাষ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ